রুট কী ও কিভাবে রুট করতে হয়

রুট কী নিজেই করুন রুট

রুট কী ও কিভাবে রুট করতে হয়

রুট কি


রুট কথাটার সাথে এখন নেট এ ঘুরাঘুরি করে এরকম এন্ড্রয়েড ইউজার প্রায় সবাই জানে…
সবাই রুট সম্পর্কে জানার জন্য গোগোলে ও ঘুরাঘুরি করে… কিন্তু এত্তো কঠিন কঠিন রুট এর সংজ্ঞা তাদের কাছে বইয়ের পড়ালেখার মতো কঠিন মনে হয় :
তাই তারা রুট এর দিকে আগাতে চায় না আর

রুটিং এর উদাহরন


ধরুন আপনার নিজের অনেক অঢেল সম্পত্তি আছে… কিন্তু আপনার বয়স কম তাই সম্পত্তি টাকে কীভাবে আপনি ব্যবহার করবেন তা জানেন না… তাই সম্পত্তি টা আপনার হলেও আপনি আপাতত এর মালিক না… একটি নির্দিষ্ট বয়সে আপনাকে এর মালিকানা দেয়া হবে… যখন আপনি একটু বড় হবেন এবং সম্পত্তি ঠিক মতোব্যবহার করতে পারবেন… যদি আপনাকে নির্দিষ্ট বয়সের পূর্বেই সম্পত্তির মালিক করে দেয়া হয় তবে না বুঝে হয়তো সব সম্পদ কে ধংস করে দিতে পারেন… তেমনি রুট ও অইরকম ই একটা জিনিষ… সাধারন এন্ড্রয়েড ইউজার রা হলো অপ্রাপ্ত বয়স্ক সম্পদের মালিকের মতোই… তাদের কে তাদের নিজ্বস ফোন হওয়া সত্ত্বেও ফুল একসেস দেয়া হয় না কারন তাহলে হয়তো তারা ভিতরের জিনিষ পাতি না বুঝে চেঞ্জ করে ফোনটা ব্রিক বাঁ নষ্ট করে ফেলবে… রুট শুধুমাত্র তাদের জন্যই যারা এন্ড্রয়েড ফোন সম্পর্কে ভিতরগত দিক দিয়ে জানে অর্থাৎ যারা এডবান্সড ইউজার… তারা রুট করে তাদের ফোন টা সফল ভাবে বিভিন্ন আপডেট করতে পারে যেমন উদাহরনের ছেলেটা সম্পদ কে পূর্ণ বয়সে কাজে লাগিয়ে নিজের উন্নতি করতে পারে

রুট এর দরকার আছে কি


আমি তো এত্তো ঘাটাঘাটি করি এন্ড্রয়েড সম্পরকে!!রুট এর দরকার আছে কি??
আপনার যদি ঘাটাঘাটি করার আগ্রহ থাকে তবে স্বাগতম … তাহলেই আপনি পূর্ণ ভাবে বুঝে শুনে ভিতরের চেঞ্জ বাঁ আপডেট করতে পারবেন… কিন্তু আগ্রহ না থাকলে হুদাই ফোন ডারে ব্রিক করবেন… সো এডভান্সড ড্রয়েড ইউজার হওয়ার জন্য আগ্রহ টা বড় জিনিষ যেমন সম্পদের দায়িত্ত্ব নেয়ার আগে বয়স বাঁ অভিজ্ঞতা টা বড় জিনিষ … যদি আগ্রহ থাকে তাহলে পরবর্তী ধাপ তথা রুট এ স্বাগতম

কিভাবে রুট করতে হয়


আমি আগে নিজেও রুট করাটা ঝামেলার মতো ভাবতাম… আমার w35 ও রুট করি নাই এত্তোদিন ঝামেলার কথা টা ভেবে… সবাই যেখানে ফোনের একটা সফট দিয়াই এক ক্লিকে রুট করতেছে সেখানে আমারে কেন পিসির হেল্প নিতে হবে??

পেয়ে গেলাম একটা টুল এর খোজ যা দিতা আমার ফোন ও মোবাইল থেকেই ঝামেলা ছাড়া রুট হবে :

নিচ থেকে টুল টা নামাইয়া নেন Root master

may be android 4 এর উপরের সকল ডিভাইস ই এইটা দিয়া রুট হবে [ভার্সন দেখতে Settings=>About phone এ যান পাবেন ]



তার পর Root এ click করুন।

আপনার ফোন রুট করা শেষ…

অর্থাৎ আপনি আপনার সম্পদের দায়িত্ত্ব পেয়ে গেলেন…

যদি এই সফট টা দিয়ে রুট না হয় তবে নিচের সফটওয়্যার টা নামান Framrooot.apk

Install super user এ সিলেক্ট করে ওকে করুন… কিছুক্ষন ওয়েট করুন ওকে দেখাবে…

রুট অইছে কিনা চ্যক করার জন্য নিচের সফটওয়্যার টা ব্যবহার করুন

Root checker.apk

সম্পদের দায়িত্ত্ব তো পাইলেন… এখন এইটারে সরবোচ্চ সেফ ভাবে ব্যবহার করার ট্রাই মারেন 😀

নয়তো আম ও যাইবো ছালা ও যাইবো… হুদাই মাঝখান থেইক্কা ফোন টা ব্রিক হইবো…

নিজে নিজে পাকনামী কইরা ফোনডারে ব্রিক কইরেন না… কিছু করার আগে "True Talk and Message" মামুরে জিগাইয়া কইরেন 😉

যাইহোক আপনারে তো হিডেন (hidden) সম্পদের একসেস পাওয়াইয়া দিলাম…

আমি আসলে এইব্যপারে নতুন তাই নতুন কেউ এই ব্যপারে শিখতে গেলে কি কি কোয়েশ্চন মনের ভিত্রে উঁকি দিতে পারে তা সম্পর্কে অবগত …

সো আশা করি সকল উত্তর ই পাবেন… 😉

আর মনে রাখবেন আপনি যদি ফোনটারে রুট না করে ফালাইয়া রাখেন মনে রাখবেন আপনি অঢেল সম্পদের মালিক হওয়া সত্ত্বেও ভয়ে সেইটার ধারে কাছে গেলেন না

রুট করলে আপনি যা যা করতে পারবেন


এন্ড্রয়েডটিকে রুট করবেন? রুট করলে আপনি যা যা করতে পারবেন তা হল –
১. রুটিং আপনাকে আপনার এন্ড্রয়েডে ‘সুপার ইউজার’ অধীকার দেয়।

২. ফোনটিতে কি থাকবে আর কি থাকবে না তা নিশ্চিত করতে পারবেন। ডিফল্ট হিষেবে থাকা অনেক সফ্টওয়ার আপনার পছন্দ নাও হতে পারে। রুট আপনাকে এগুলো Uninstall বা Replace করার ক্ষমতা দেয়।

৩. এন্ড্রয়েড মার্কেটে ও অন্য সফ্টওয়ার সাইটে পাওয়া যায় অসাধারণ সব এন্ড্রয়েড সিস্টেম সফ্টওয়ার, যা দিয়ে নানাভাবে ফোনের পারফর্মেন্স বাড়াতে পারবেন। কিন্তু রুট ছাড়া এসব হয় না।

৪. অনেক ইনবিল্ট ফিচার যা একটি ডিভাইসে সাপোর্ট করে অথচ অন্য ডিভাইসে হয় না, কিন্তু রুটিঙের মাধ্যমে এগুলো ঠিক করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, লাউভ ওয়ালপেপার Samsung Galaxy Spica তে রুট না করলে চলে না।

৫. আপনার ডিভাইসটির WifI বা Bluetooth সংযোগের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ শেয়ার এবং ওয়াইফাই দিয়ে উচ্চগতিতে ডাটা ট্রান্সফার করতে এনড্রয়েডে ওয়াইফাই/ব্লুটুথ টেথারিং করতে হয়, যার জন্য রুট বাধ্যতামূলক।

৬. বিল্ট-ইন না থাকলে ফোনে বাংলা ফন্ট ইন্সটল করতে রুট লাগবে।

ওয়ারেন্টি হারানো


ডিভাইস রুট করার মাধ্যমে আপনার ওয়ারেন্টি বাতিল হয়ে যাবে। তাই রুট করার আগে সাবধান। অবশ্য অনেক সেট আবার আনরুট করা যায়। আর সেট আনরুট করা হলে তা সার্ভিস সেন্টারে থাকা টেকনিশিয়ানরা অনেক সময়ই ধরতে পারেন না যে সেটটি রুট করা হয়েছিল। তবে কাস্টম রম থাকলে ধরা খাওয়া এড়ানোর উপায় নেই। ফোন ব্রিক করাঃ ব্রিক অর্থ ইট। আর ফোন ব্রিক মানে আপনার ডিভাইসকে ইটে রূপান্তরিত করা। অর্থাৎ, এর কাজ করার ক্ষমতা হারানো। রুট করা ও এর পরবর্তী বিভিন্ন কাজের সময় একটু এদিক-সেদিক হলেই ফোনে স্থায়ী বা অস্থায়ী সমস্যা হতে পারে। আপনার ফোনের প্রস্তুতকারক কোম্পানি ফোনটি আনরুট অবস্থায় দেন যেন এর ক্ষতি না হয়। রুট করার মাধ্যমে আপনি সেই নিশ্চয়তা ভেঙ্গে ফেলছেন।

পারফরমেন্স বাড়ানো


বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে ডিভাইসের অব্যবহৃত ফাইল, টেমপোরারি ফাইল ইত্যাদি নিয়মিত মুছে ফোনের গতি ঠিক রাখা। ওভারক্লকিং করাঃ সিপিইউ স্পিড স্বাভাবিক অবস্থায় যতটা থাকে তারচেয়ে বেশি দ্রুত কাজ করানো। এর মাধ্যমে কোনো বিশেষ কাজে প্রসেসরের গতি বাড়ানোর প্রয়োজন পড়লে তা করা যায়।

ওভারক্লকিং করা


সিপিইউ স্পিড স্বাভাবিক অবস্থায় যতটা থাকে তারচেয়ে বেশি দ্রুত কাজ করানো। এর মাধ্যমে কোনো বিশেষ কাজে প্রসেসরের গতি বাড়ানোর প্রয়োজন পড়লে তা করা যায়।

আন্ডারক্লকিং করা


যখন ডিভাইস এমনিতেই পড়ে থাকে, তখন সিপিইউ যেন অযথা কাজ না করে যে জন্য এর কাজের ক্ষমতা কমিয়ে আনা। এতে করে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানো সম্ভব।

কাস্টম ইউআই


আপনার ডিভাইসের হোমস্ক্রিন, লক স্ক্রিন, মেনু ইত্যাদি বিভিন্ন ইউজার ইন্টারফেসের ডিজাইন একটা সময় পর আর ভালো নাও লাগতে পারে। তখন আপনি ডিভাইসে নতুনত্ব আনতে পারবেন নতুন সব কাস্টম ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমে। এগুলোকে অন্যভাবে রমও বলা হয়।

কাস্টম রম


কাস্টম রম ইন্সটল করার সুবিধা। অনেক ডেভেলপার বিভিন্ন জনপ্রিয় ডিভাইসের জন্য কাস্টম রম তৈরি করে থাকেন। এসব রম ইন্সটল করে আপনি আপনার সেটকে সম্পূর্ণ নতুন একটি সেটের রূপ দিতে পারবেন। বাইরে থেকে অবশ্যই এর ডানা-পাখনা গজাবে না বা ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল থেকে ৮ মেগাপিক্সেল হবে না, কিন্তু ভেতরের ডিজাইন ও ক্ষেত্রবিশেষে পারফরম্যান্সেও আসবে আমূল পরিবর্তন।

রুট করা থাকে না কেন


ফোন প্রস্তুতকারকরা ইচ্ছে করেই তাদের ফোনগুলো Lock করে দিয়ে থাকে। Root ফোল্ডারে থাকা ফাইলগুলো অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ভুলবশত এর কোন একটি মুছে গেলে আপনার ডিভাইস কাজ করা বন্ধ করে দিতে পারে। তাছাড়া ভাইরাস বা ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম অনেক সময় রুট করা ডিভাইসের ক্ষতি করতে পারে। তবে Lock থাকায় ব্যবহারকারী Root Access পান না, তাই অন্য প্রোগ্রামগুলোর রুট অ্যাক্সেস পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ফোন Lock করে বাজারে ছাড়ার আরেকটি কারণ হচ্ছে সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশন ও ফাইল। অনেকেই ইন্টারনাল মেমোরি খালি করার জন্য বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন এসডি কার্ডে ট্রান্সফার করে থাকেন। রুট করা থাকলে সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশনগুলোও ট্রান্সফার করে ফেলা যায়। কিন্তু অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইল রয়েছে যেগুলো ইন্টারনাল মেমোরির ঠিক যেখানে আছে সেখানেই থাকা আবশ্যক। ব্যবহারকারী যখন ডিভাইস রুট করেন, তখন স্বভাবতই অনেক কিছু জেনে তারপর রুট করেন। তখন বলে দেয়াই থাকে যে, কিছু কিছু সিস্টেম অ্যাপস এসডি কার্ডে ট্রান্সফার করলে সমস্যা হতে পারে। কিন্তু যদি স্বাভাবিক অবস্থায়ই সেট রুট করা থাকে, তাহলে ব্যবহারকারী না জেনেই সেটের ক্ষতি করতে পারেন।

মনে করুন যার প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারনা কম আছে, সে যদি মনে করে যে, তার ফোনের ইন্টারনাল মেমোরির জায়গা ফাঁকা করবেন এবং সেই জন্য সে তার ফোনের রুট ফোল্ডারে গিয়ে সবগুলো ফাইল SDcard এ Move করে দিলেন। আগে থেকেই Root Access থাকার কারণে, ফাইলগুলো Move করার সময় ডিভাইসটি কোন বাধা দেবে না। তবে Move হবার মাঝেই ফোনটি বন্ধ হয়ে যাবে এবং আর ঠিকমতো কাজ করবে না। তখন তিনি কোম্পানির কাঁধে সব দোষ চাপাবেন। আর যদি রুট লক করা থাকে, ব্যবহারকারী রুট ফোল্ডার খুঁজেই পাবে না। আশা করি এখন সবাই বুঝতে পেরেছেন, কেন Android ডিভাইসটিতে ফোন কোম্পানি Default Root Access করে দেয় না। তবে প্রায় ৯৫% ডিভাইসই রুট করা যায়। কোন ফোন কোম্পানিই রুট করা ডিভাইস বাজারে ছাড়ে না, কারণ বেশিরভাগ ক্রেতাই সাধারণ ক্রেতা হয়ে থাকেন যাদের ডিভাইস রুট করার কোনো প্রয়োজনই নেই।

ইচ্ছামত অ্যাপ /সিস্টেম অ্যাপস রিমুভঃ


রুট করার ফলে আপনি এডমিন এক্সেস পাচ্ছেন মানে আপনার ডিভাইস এ আপনার সম্পূর্ণ কন্ট্রোল এসেছে। এখন আপনি ইচ্ছামত আপনার ডিভাইস এর অ্যাপ /সিস্টেম অ্যাপস রিমুভ করতে পারবেন। যেমন স্টক সিস্টেম এর সাথে অনেক অ্যাপ আসে যা আমাদের ভালো লাগেনা ইউজ করতে অথবা ওগুলো কখন ও ইউজ করিনা। তো যেটা ইউজ করিনা সেটা রেখে লাভ কি? রুট করলে আপনি সেই অ্যাপস গুলো রিমুভ করতে পারবেন অথবা ফোন মেমোরি থেকে এসডি কার্ড এ মুভ করতে পারবেন যা আপনি নরমালি পারবেন না। এতে করে আপনার ডিভাইস এর ইন্টারনাল মেমোরি ও RAM বাড়বে। আর এই দুইটা বাড়ানো মানে ডিভাইস এর স্পীড বাড়ানো।

রুট এক্সেস পাওয়া


আপনার এন্ড্রয়েড ডিভাইস টি রুট করলে আপনি আপনার ডিভাইস এর এডমিন এক্সেস পাবেন যাকে এন্ড্রয়েড এর ভাষায় রুট এক্সেস বলে অনেকে। এই এক্সেস টি আপনি রুট না করলে পাবেন না। এই এক্সেস এর সাহায্যে আপনি অনেক কিছু করতে পারবেন এবং পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে আপনার ডিভাইস টি রুট করতেই হবে মাস্ট।

ডিভাইস এর ফুল ব্যাকআপ


ডিভাইস এর ফুল ব্যাকআপ নিন ডাটা আমাদের অনেক ইম্পরট্যান্ট। আর সে জন্যে অনেক সময় আমাদের মোবাইল অথবা ট্যাব এর ডাটা ব্যাকআপ করা লাগে। নরমালি দেখা যায় একসাথে সব ব্যাকআপ করা যায় না অথবা গেলেও অনেক কিছু মিসিং থাকে। কারন আপনার ডিভাইস এর এডমিন এক্সেস আপনার নেই। আর এডমিন এক্সেস পেতে হলে আপনার রুট করতে হবে। আর রুট করলে আপনি আপনার ডিভাইস এর অ্যাপস ডাটাথেকে শুরু করে সম্পূর্ণ রম ব্যাকআপ করতে পারবেন। আমরা প্লে ষ্টোর এ একটা অ্যাপ দেখেছি Titanium Backup নামক যা ব্যাকআপ এর জন্যে সবচেয়ে ফেমাস এবং এটি ব্যাবহারে আপনার রুট এক্সেস লাগবে।

ডিভাইস এর বাহ্যিক সৌন্দর্য


এই কথাটি দ্বারা আমি আপনার ডিভাইস এর কাভার,কেসিং, রঙ বুঝাই নি। এই সৌন্দর্যের মানে আপনার ডিভাইস এর সিস্টেম এর সৌন্দর্য বাড়ানো। রুট করলে আপনি অনেক কিছু এডিট,কাস্টমাইজ করতে পারবেন যাতে করে নরমাল ডিভাইস এর চেয়ে আপনার ডিভাইস টি থাকবে এক ধাপ এগিয়ে।

পিক্সেল ডেনসিটি পরিবর্তন


রুট করার মাধ্যমে আপনি আপনার ডিভাইস এর ইউজার ইন্টারফেস চেঞ্জ করতে পারবেন। স্মার্টফোন মানেই অনেক স্মার্ট ফিচার তার ভিতরে থাকা। তবে স্ক্রিন সাইজ ছোট হউয়ার কারনে অনেক কিছু করতে অথবা দেখতে আমাদের সমস্যা হয়। তাই পিক্সেল ডেনসিটি এর পরিবর্তনের মাধ্যমে ইন্টারনালি আপনার ডিভাইস এর স্ক্রিন সাইজ বাড়িয়ে নিতে পারেন যা আপনাকে দিবে এক অন্য রকম অভিজ্ঞতা।

কাস্টম রম ও রম মডিফাইঃ


রম অথবা ফার্মওয়্যার সিস্টেম যা ডিফল্ট ভাবে আপনার ডিভাইস এর সাথে এসেছে তা আমরা অনেক সময় মডিফাই করতে চাই। অথবা দেখা যায় এটি আমার ভালো লাগতেছেনা। ভালো না লাগলে আর কি করার পরিবর্তন করার ও কোন উপায় নেই তো নতুন মোবাইল কিনতে হবে। কিন্তু না… রুট করলে আপনি আপনার ডিভাইস এর ডিফল্ট সিস্টেম অথবা রম এ পরিবর্তন করতে পারবেন ইচ্ছা মতো। অনেক ফিচার এড করতে পারবেন যা নরমালি আপনার ডিভাইস এ পাবেন না। এছাড়াও সম্পূর্ণ সিস্টেম পরিবর্তন করতে পারবেন যা কাস্টম রম নামে পরিচিত। যেমন আমি প্রতি সপ্তাহে আমার মোবাইল এর রম চেঞ্জ করি এবং ভিবন্য রম এর স্বাদ নেই। এটি শুধুমাত্র সম্ভব রুট করলেই। এমন ও দেখা যায় আপনার মোবাইল এ কিছু একটা ফিচার নেই যা দামি একটি ডিভাইস এ আছে। কাস্টম রম ব্যাবহার এর ফলে আপনি ওই ফিচার টি ইউজ ও করতে পারেন।

আলাদা অ্যাপ ইন্সটল ও ব্যাবহার


রুট করলে আপনি আলাদা কিছু অ্যাপ ইন্সটল করতে পারবেন যা নরমালি আপনি ইন্সটল করতে পারবেন না। এছাড়াও নরমাল ভাবে অনেক অ্যাপ এ অনেক কাজ করতে পারেনা এবং করতে রুট এক্সেস চায়। যেমন ধরুন - টাস্ক কিলার অ্যাপ। নরমাল ইউজার রা এই টাইপের অ্যাপ ইউজ করে আবার রুট ইউজার রাও করে। সেইম অ্যাপ ইউজ করে রুট ইউজার বেশি সুবিধা পায় কারন ওই অ্যাপ টি এডমিন পারমিশন পায় যার ফলে সিস্টেম ও হিডেন কিছু টাস্ক কিল করতে পারে যাতে করলে আপনার ডিভাইস এর স্পীড বাড়ছে।

ইন্টারনাল Storage বাড়ানো


যাদের ফোনে ইন্টারনাল মেমোরি কম তারা চাইলে রুট করার মাধ্যমে যেকোনো অ্যাপ্লিকেশান SD কাের্ড ট্রান্সফার করে নিতে পারবেন। কিন্তু এই কাজটির জন্য রুট করা আবশ্যক। কিছু কিছু অ্যাপ্লিকেশান Storage ট্রান্সফার করার ক্ষেত্রে স্বাধীনতা দিলেও অনেক অ্যাপস আছে যেগুলো রুট করা ছাড়া ট্রান্সফার একরকম অসম্ভব। যেমন আপনি চাইছেন আপনার সেটে জেলিবিন আপডেট করবেন কিন্তু তার জন্য আপনি সেটের ডাটা ব্যাকআপ নিতে চাইছেন। এখন আপনি যদি ব্যাকাপ নেবার জন্য কোন বিশেষ অ্যাপস ইন্সটল করতে চান তার জন্য অবশ্যই আপনার সেটটিকে রুট করে নিতে হবে।

ডিভাইস এর মূল মালিক


রুট করা মানে আপনি আপনার ডিভাইস এর প্রকৃত মালিক হলেন। কারন রুট করার আগ মুহূর্ত পর্যন্ত আপনি আপনার ডিভাইস এর এডমিন না। এডমিন হল আপনার মোবাইল এর কোম্পানি এবং তাদের দেয়া ফার্মওয়্যার। তাদের দেয়া সিস্টেম এ যা যা জেভাবে আছে আপনাকে সেই ডিভাইস টি ইউজ করতে হবে। কিন্তু আমি যেহেতু মালিক সুতরাং আমি আমার মোবাইল ইচ্ছামত ইউজ করবো তাহলে রুট আপনাকে করতে হবেই। রুট করার মাধ্যমে আপনি আপনার ডিভাইস এর সর্বোচ্চ কন্ট্রোল এক্সেস পাবেন যার সাহায্যে আপনি অনেক কিছুই করতে পারবেন। যেমন ধরুন আপনি সনি ইউজ করছেন। কিন্তু Samsung এর ফিচার ও স্টাইল গুলো ভালো লাগে। তাহলে আপনি আপনার ডিভাইস এর ইন্টারফেস ও ফিচার সেরকম করে পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। কিন্তু রুট করার পর দেখা যায় তাদের ডিভাইসের পারফরম্যান্স আগের মতোই রয়ে যায়। তখন তারা হতাশ হয়ে পড়েন ও রুটের কার্যকারিতা বা আসল সুবিধা কী এই প্রশ্ন তাদের মনে আবারও উঁকি দিতে শুরু করে। এই লেখাটি তাদের জন্যই যাদের রুট নিয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই। এই লেখাটিতে আমি খুব সাধারণভাবে রুট কী তা বোঝানোর চেষ্টা করেছি ও ডিভাইস রুট করার সুবিধা ও অসুবিধা সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করেছি।


৷৷৷৷লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ ৷৷৷



আরও ভাল বইয়ের ডাউনলোড লিঙ্ক ও পোষ্ট পেতে লাইক কমেন্ট করে সাথেই থাকুন ৷৷৷ Written by True Talk and Message
Share on Google Plus

About Alex Hunter

    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 মন্তব্য(গুলি):

Post a Comment